Text
শিরোনাম: চলো না দুজন যাই পালাইয়া
ইনট্রো:
চাঁদের আলো পথ দেখায়, নীরব রাতরে দুজন হাঁটায়।
হাতের ছোঁয়ায় লাগে আগুন — হায় রে, প্রেমের অগ্নিপথে।
ভার্স ১:
চলো না, দুজন যাই পালাইয়া, শহর ছেড়ে দূরে কোথায়,
পাড়ার কোল ঘেঁষে রেখে যাবো এই দুঃখ ও কষ্টর খায়।
তোর চোখে আমি হারাই — আগুন জ্বলে অচেনা ঝলকায়,
বীরান রাস্তায় কোকিল ডাকি, হাওয়ায় ভেসে প্রেমের গান যায়।
প্রি-কোরাস:
হৃদয়টা রেখে দিলাম তোর বুকে,
দূর দুনিয়া ফেলে দিই সুখের শুকতে।
চুমু দিয়ে লিখি আমরা নতুন কাহিনী,
পতাকা উড়ুক এই ভালবাসার জ্বালিনীতে।
কোরাস:
চলো না, দুজন যাই পালাইয়া,
পিরিতের খাতায় দিছি আগুন ধরাইয়া।
নাচুক তারা, গাই যাম, রাতভর আমরা রেইয়া,
চলো না, দুজন যাই পালাইয়া — জীবনটা হাতবদলায়া।
ভার্স ২:
বাতাসে মিশে যাক তোর নাম, ডানায় ডানায় স্বপ্ন ছড়ায়,
বাবা-মা আর শহরের কথা যেন এই মূহূর্তে মুছে যায়।
রঙিন আলো, পুরোনো গলি, হৃদয়টা করে নতুন গান,
ধোঁয়ায় ঢাকা শহর পিছে পড়ে — চলে আসি তোমার প্রানের ডান।
প্রি-কোরাস (ছোট):
আঁধারে জ্বলে প্রেমর প্রদীপ,
তুমি আমার, আমি তোরই ছাপ।
আবার লিখি আমরা এই গল্প,
মনের কিশোর রবে চিরকাল হাল।
কোরাস (দ্বিতীয় বার, আরও জোরে):
চলো না, দুজন যাই পালাইয়া,
পিরিতের খাতায় দিছি আগুন ধরাইয়া।
নাচুক তারা, গাই যাম, রাতভর আমরা রেইয়া,
চলো না, দুজন যাই পালাইয়া — জীবনটা হাতবদলায়া।
ব্রীজ:
হাতটা ছেড়ো না, আমি আছি পাশে,
ছায়া থেকো যতই ঘোরে — আশা জ্বলে মৃদু হাস্যে।
তুমি বলো “চলো”, আমি বলি “আচ” — এ স্বপ্নের বাবা ম–চ,
স্বপ্নে আমরা নির্মল সমুদ্র, ভাসি ভোরের ঝিকিমিকিতে।
ইন্সট্রুমেন্টাল ব্রেক (জমকালো বিট / ড্রপ):
(হুম-হুম, তালি, স্নেয়ার বিট, স্লো-ফেড মেলোডি)
কোরাস (ফাইনালে, আরও ইমোশনাল):
চলো না, দুজন যাই পালাইয়া,
পিরিতের খাতায় দিছি আগুন ধরাইয়া।
নাচুক তারা, গাই যাম, রাতভর আমরা রেইয়া,
চলো না, দুজন যাই পালাইয়া — জীবনটা হাতবদলায়া।
আউট্রো:
চাঁদের আলো আবার বলছে, পথটা আজ আমাদের সই,
হাত ধরে তুমি-আমি হাঁটছি — পিরিত জ্বলে, অনন্ত টই।
চল, লিখি শেষ পৃষ্ঠা — নামটা রেখে যায়া তোমায়,
চলো না, দুজন যাই পালাইয়া — ভালোবেসে যাবো অমলায়।